aimatropawakhabor
সকাল
শরীয়তপুর, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২০ইং
aimatropawakhabor
শরীয়তপুর, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২০ইং
ব্রেকিং নিউজ
শিরোনাম

পরিবহন ধর্মঘট ভোগান্তিতে সাধারন মানুষ ও ব্যবসায়ী

২০-নভেম্বর-২০১৯, দুপুর ১২:২৬     ১৩৮

itpoka

নতুন সড়ক পরিবহন আইনের বেশ কিছুর ধারার বিরোধিতা করে তা সংশোধনের দাবি তুলে দেশের বেশিরভাগ এলাকায় ধর্মঘটে নেমেছেন বাস-ট্রাক পরিবহন শ্রমিকরা। এতে রাজধানীর সঙ্গে বাইরের জেলাগুলোর যোগাযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। রাজধানীর অনেক ডিপো থেকেও ছাড়া হচ্ছে না কোন বাস। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারাণ জনগন এবং ব্যবসায়ীরা। ধর্মঘটে অচলাবস্থার পথে চট্টগ্রাম বন্দরও।


বুধবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান পণ্য পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে বাসও বন্ধও রেখেছেন এ সংশ্লিষ্ট পরিবহন শ্রমিকরা। পরিবহন শ্রমিকদের ‘স্বেচ্ছা কর্মবিরতিতে’ দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরের বেশ কিছু জেলায় গত দুদিন ধরেই বাস চলাচল বন্ধ ছিল। বুধবার সকাল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কেও দূরপাল্লার বাস চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

ধর্মঘটে রাজধানী ঢাকার অভ্যন্তরে গণপরিবহন কার্যত বন্ধ রয়েছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী বাস ডিপো থেকে ছাড়া হয়নি কোনো বাস। ঢাকা থেকে ছেড়ে যায়নি দূর পাল্লার  বাসও। এতে করে প্রচণ্ড ভোগান্তিতে পড়েছেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে অফিসগামী মানুষ এবং ব্যবসায়ীরা। কয়েক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে তাদের রিকশা ও অন্য ছোট যানে গন্তব্যে রওনা হতে দেখা গেছে। কেউ কেউ হেঁটেই পাড়ি দেন অনেক পথ।

এদিকে সকাল সোয়া ৬টা থেকে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় একদল পরিবহন শ্রমিক সড়কে অবস্থান নেন।

পরে তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ডে চলাচলরত গাড়ি আটকে দেন। সেই সঙ্গে গাড়িগুলো থেকে যাত্রী ও চালকদের নামিয়ে গাড়ির চাবি নিয়ে নেন তারা। এরপর মহাসড়কের দুই পাশে গাড়িগুলোকে এলোমেলো করে রেখে রাস্তা অবরোধ করে রাখা হয়। সকাল থেকে শুরু হওয়া শ্রমিকদের এ ধর্মঘট এখনও চলছে।

অপরদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কেও পরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। সকাল থেকে মহাসড়কে যানবাহন তেমন চলছে না। মহাসড়কের কয়েকটি বাসস্ট্যান্ডে দেখা গেছে, গন্তব্যে পৌঁছাতে যাত্রীরা গাড়ির জন্য দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু বাস নেই। সকাল সোয়া আটটা থেকে পৌনে নয়টা পর্যন্ত মহাসড়কের মির্জাপুর, ইচাইল, কর্ণী, শুভুল্যা ও কদিম ধল্যা এলাকা ঘুরে এ দৃশ্য দেখা যায়। এ সময় মহাসড়কে উত্তরাঞ্চলগামী দু-একটি বাস, কিছুসংখ্যক ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান চলেছে। টাঙ্গাইল থেকে ঢাকাগামী কোনো বাস চলতে দেখা যায়নি। কয়েকটি লেগুনা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও প্রাইভেট কার চলেছে।

ধর্মঘটে বন্ধ রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য ওঠা-নামা। বুধবার সকালে বন্দর চত্বর থেকে আমদানি পণ্য খালাস ও ডিপো থেকে রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনার পরিবহন কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে।

বন্দর কর্মকর্তারা জানান, বন্দর চত্বর থেকে পণ্য খালাস বন্ধ হয়ে পড়লে জাহাজ থেকে নামানো কনটেইনার রাখার জায়গাও কমে আসবে। ধীরে ধীরে জাহাজ থেকে কনটেইনার ওঠানো-নামানোও বন্ধ হয়ে পড়বে। বন্দরের পরিচালন কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে সমুদ্রপথে দেশের ৯৩ শতাংশ পণ্য পরিবহন হয়। আর কনটেইনার পরিবহন হয় ৯৮ শতাংশ। এই বন্দরের যে কোনো প্রভাব পুরো দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করবে।


নগর জীবন

সর্বশেষ খবর

সর্বাধিক পঠিত